বাঙ্গালীর আরেকটি যুদ্ধ, সেটি অর্থনৈতিক মুক্তিযুদ্ধ

স্বাধীনতার ৪০টি বছর পেরিয়ে গেল অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশের ৪০টি বছর কালেরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আমরা আঁকড়ে ধরে আছি শুধু মাত্র স্বাধীন ভূখণ্ড ও লাল সবুজ রাঙানো পতাকা। দেশ মাতৃকার টানে যে ভাই বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিল, দেশকে ভালোবেসে যে বোন তার জীবনের মূল্যবান পাঁপড়ি হানাদারদের স্পর্শে বিসর্জন দিল,তা কি শুধুই নিরেট ভূখণ্ডের জন্য? তা হলে কেন স্বাধীন দেশের মানুষ আজো বস্রহীন? কেন স্টেশনে, ফুটপাথে, বাজারে। আমার মা, আমার ভাই না খেয়ে কঙ্কাল হওয়ার পথে! এ প্রশ্ন আজ আমার মতো অনেক সচেতন মানুষের। একটাই উত্তর দেশ স্বাধীন হলেও অর্থনৈতিক মুক্তি আমরা আজো পাইনি। এই অর্থনৈতিক মুক্তি লাভের জন্য আর একটি যুদ্ধের প্রয়োজন। সেই যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে ৪৫ লাক্ষ সৈনিক তৈরি হয়ে গেছে এই যুদ্ধ করার জন্য। যে যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক যুগশ্রেষ্ঠ নেটওয়ার্কার মোহাম্মদ রফিকুল আমীন। সারা বাংলাদেশের অফিস আদালত, ফ্যাক্টুরীতে যখন ঝুলছে ‘কর্ম খালি নাই’ ঠিক সেই সময় মোহাম্মদ রফিকুল আমীন বললেন, ‘চলে আয় বেকাররা’ ডেসটিনির পতাকাতলে। আমাদের জাতীয় কবি জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলছেন, ‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই, নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই’ ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক মুক্তির কবি, বেকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কবি, মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের আহ্বানকে এভাবে বলি ‘বেকার দূরীকরণের ডাক দিয়েছেন মোহাম্মদ রফিকুল আমীন, চলে আয় বেকার, ছুটে আয়, ডেসটিনির কাজে দানিবে যে নিজেকে, অভাব নাই তার অভাব নাই’ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। কিন্তু সে তুলনায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই। ফলে মানুষ কর্মবিমুখ ও বেকার হয়ে পড়ছে। ডাইরেক্ট সেলিং এদেশের বেকার জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে। যা দেশের জন্য এক আশীর্বাদ। মানব জাতির প্রায় অর্ধেকই নারী। তাই এ নারী জাতি বাদ দিয়ে কখনো মানব জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। কিন্তু পৃথিবীর পুরুষ শাসিত সমাজ নারীকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে বাঁধতেই বেশি উৎসাহ দেখিয়েছে। তারা কোনো দিনই চায়নি নারীর স্বাধীনতা। তবুও কালের পরিক্রমায় নারী আজ বন্দি থাকেনি। নারীরা দেখিয়েছে তারাও পারে। তাই অত্যাধুনিক সভ্যতার চরম উৎকর্ষে নারীর ভূমিকা পুরুষের চেয়ে কোনো অংশেই কম না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনেক বেশি। তাই আজ নারীরা পুরুষের পাশাপাশি প্রতিটি পেশায় সফলতার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তেমনি তারা পিছিয়ে নেই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পেশাতেও। ডাইরেক্ট সেলিং এ নারীর অংশগ্রহন সম্পর্কে নারীদের উদ্দেশ্যে বলব, পরনির্ভরশীল না থেকে এখন সময় এসেছে নিজেকে প্রমান করার, একান্ত নিজের পরিচিতি তৈরি করার। মেয়েরাও সংসার এবং অন্যান্য সব কাজের পাশাপাশি ডাইরেক্ট সেলিং এ কাজ করে পরিবার, সমাজকে সহযোগিতা করতে পারে। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ কাজ করে নিজে আত্মনির্ভরশীলও হতে পারে। ডাইরেক্ট সেলিং পেশায় কাজ করে স্বামীর কাছে কর্মঠ স্ত্রী এবং সন্তানের কাছে আদর্শ মা ও বাবা মার গর্ব, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর কাছে স্বাধীনক্রেতা পরিবেশকের মডেল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন